পাঁচ বছর পর ফোন আলাপ দুইজনের।
দুইজনই হাতে ফোন নিয়ে,
একটু কিছু শোনার অপেক্ষায়।
মেয়েটি কিছু বলতেই যাবে
হটাৎই ওপাশ থেকে জোরে নিশ্বাস এর শব্দ।
মেয়েটির শিউরে উঠলো
মনে হলো কেউ যেন তার শরীরে বিদ্যুৎ চলে গেলো।
তার আর চিনতে বাকি রইলো না।
কিছু সময় নীরবতা তারপর কথা শুরু হল
ছেলেটি বললো হ্যালো।
মেয়েটি জবাব দিলো হ্যাঁ।
চিনতে পেরেছো আমায়?
না চেনার মতো কিছু নেই তো.
ওহ , আমি ভাবলাম ..
কি ভাবলে?
আমায় হয়তো ব্লকলিস্টে রেখেছো, আর
কি আর ?
আর হয়তো আমার কল ধরবে না , আর ধরলেও চিনার ভান করবে।
কেমন আছো!
জানি না।
কেন?
এমনি। তুমি?
হয়তো ভালো? নিজেকে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করি।
ওহ।
তোমার কি খবর?
চলে যাচ্ছে দিনকাল অপেক্ষায়, কিন্তু সেই সুযোগ তো আসলো না।
কেন করছো অপেক্ষা?বাকি কি আছে?
ছেলেটি ভেবে বললো,
তবে কি সে দিন আর আসবে না?
কি জানি ? সব যে মনে হয় শেষ।
আচ্ছা কিছুই কি বাকি নেই? আর একটি অবকাশ?
মেয়েটি হাসে
হা হা হা। হাসালে।
কেন?
আমার কাছে জানতে চাইছো?
নয় তো আর কি?
তুমি ভেবে দেখো? আচ্ছা যদি আর একটি সুযোগ পাও কি করবে শুনি?
জানি না সত্যি জানি না?
তবে চাইছো কেন সে সুযোগ?
তাও জানি না? শুধু মনে হলো।
ছেলেটি থেমে গেলো।
কি থেমে গেলে কেন?
না মানে। যদি পেতাম না হয় সুধরে যেতাম।
কি সুধরাবে?
নিজেকে।
তোমার সুধরাতে হবে কিন্তু।
কার জন্য?
আছে কেউ একজন আজ না হয় যে আসবে।
কিভাবে তুমিই বলো?
না পড়ে বলবো। পড়ে কবে?
জানি না।
কাল?
না কাল নয়।
পরশু?
তাও নয়।
তাহলে এখনই বল না হয়।
সব কথা বললে তো আর কথা বলার অজুহাত থাকবে না। কিছু কথা বাকি থাকা ভালো।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“জুলাই ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।